রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭, ০৮:০৩

প্রচ্ছদ
সোমবার, ০৮ মে ২০১৭ ১২:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

অ্যামনেস্টি পুতুল সরকার আনতে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে: জয়

 

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কিছু রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। তারা একটি পুতুল সরকার আনতে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয় গতরাতে এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেন।

লন্ডনভিত্তিক অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমিত এবং সাংবাদিকদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করার পর জয় এ মন্তব্য করেন। জয় বলেন, তারা উদাহরণ হিসেবে শফিক রেহমান এবং মাহফুজ আনামের কথা উল্লেখ করেছে।


জয় লিখেছেন, শফিক রেহমান একজন সাবেক মার্কিন এফবিআই এজেন্টের সাথে দেখা করে এবং আমার সম্পর্কে তথ্যের জন্য তাকে ঘুষ দেন। সাবেক এই এজেন্ট এবং তার দুই সহকর্মী এখন যুক্তরাষ্ট্রের জেলে আছে। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস-এর ওয়েবসাইটে এই সম্পর্কে বিস্তারিত পাওয়া যায়। আমরা দেখেছি যে, এক সহযোগী মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে স্বীকার করেছে সে আমাকে অপহরণ ও হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিলো এবং শফিক রেহমান এফবিআই এজেন্টকে ঘুষ প্রদানে জড়িত ছিলেন। শফিক রেহমান যদি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতেন, তাহলে তিনিও এখন জেলেই থাকতেন।

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা বলেন, মাহফুজ আনাম জাতীয় টেলিভিশনে স্বীকার করেছেন যে, তিনি আমার মা ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প লিখেছেন। তিনি আরো স্বীকার করেছেন যে, একটি অবৈধ সামরিক সরকার আমাদের দেশে যেন ক্ষমতায় আসতে পারে সেজন্য তিনি আমার মা’র বিরুদ্ধে নগ্ন প্রচারণা চালিয়েছিলেন। তবুও, আমাদের সরকার তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি। বিদ্রোহ ও অপবাদের জন্য ন্যায় বিচারের অধিকার থেকেই আমাদের পার্টির সদস্যরা তার বিরুদ্ধে সিভিল মামলা দায়ের করে। আওয়ামী লীগের প্রতিটি সদস্য এই সামরিক একনায়কত্বের সময় ভোগান্তিতে মাহফুজ আনামকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছিল।

তিনি বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অপরাধীদের পক্ষে প্রচারণা করছে। তারা বলে যে, নাগরিক হিসাবে আমাদের নাকি নিজের সম্মান রক্ষার্থেও সিভিল কোর্টে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার নেই। ঠিক এই জায়গাতেই আমাদের শক্ত প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

জয় বলেন, আমরা ভুলি নাই যে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২০০৭-২০০৮ সালে সামরিক একনায়কত্বের বিরুদ্ধে কোনও বিবৃতি দেয়নি।

তিনি বলেন, তখন রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীরা কোনো অভিযোগ ছাড়াই আটক হয়েছিল এবং তাদের সম্পত্তি কোনো সঠিক প্রক্রিয়া ছাড়াই বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। মানবাধিকার সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন হয়েছিল। কিন্তু অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে তখন আমরা নীরব দেখেছি। তবে আজ তারা অপরাধীদের রক্ষা করার কথা বলছে।

জয় আরো বলেন, ১/১১ থেকেই একটা ব্যাপার খুব পরিষ্কার যে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আর কোন মানবাধিকার সংগঠন নয়।

বাসস অবলম্বনে

সর্বশেষ খবর