বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮, ০৬:০৩

মিডিয়া
রবিবার, ১৭ মে ২০১৫ ১২:০০:৩২ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নির্দিষ্ট সীমারেখা আছে

স্টাফ রিপোর্টার, দেশের বার্তা.কম

ঢাকা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা বলেন মতপ্রকাশ করতে গিয়ে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে যাতে আঘাত না লাগে সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। কনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে মি: ইকবাল সোবহান চৌধুরী একথা বলেন। গত কয়েকমাসে কয়েকজন ব্লগার হত্যার প্রেক্ষাপটে আজ বাংলাদেশ সংলাপে এক প্রশ্নের জবাবে মি: চৌধুরী বলেন অন্যের অনুভূতির উপর যদি আঘাত আসে সেটি একটি অপরাধ।

তিনি বলেন, “যারা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করছে তারা যেমন অপরাধ করছে, আবার ধর্মান্ধ হয়ে যারা ব্লগারদের উপর আঘাত করছে সেটাও অপরাধ।” তিনি বলেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নির্দিষ্ট সীমারেখা আছে।

বাংলাদেশ সংলাপে একজন দর্শক প্রশ্ন করেন কারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যদি অন্যের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে তাহলে সেটি কতটা গ্রহণযোগ্য?

এ বিষয়টিতে অনুষ্ঠানের অন্যান্য আলোচকরা মি: চৌধুরীর সাথে একমত পোষণ করেন।

উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আক্তার মনে করেন ধর্মীয় বিষয়কে কটাক্ষ করলে একজন সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে। তিনি বলেন ধর্মীয় বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যাতে আঘাত না লাগে সেদিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।

ফরিদা আক্তার বলেন , “যারা ধর্মপ্রাণ কিন্তু মৌলবাদী নয় তার যদি মনে হয় যে রসুলের নামে কিছু বললে তার নামে কষ্ট লাগছে, সে ধরনের কথা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পর্যায়ে পড়ে কিনা এটা বিবেচনা করতে হবে।”

একজন দর্শক মন্তব্য করেন , “ কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মতামত প্রকাশ করা উচিত না। সেটা যে ধর্মেরই হোক ।”

অন্যতম আলোচক নুরুল হুদা বলেন তিনি মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের পক্ষে না। তবে মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগলে কিভাবে তা প্রতিক্রিয়া হয় সেটা রাজনীতিবিদরা আরও ভালো বুঝবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মি: হুদা বলে অনেক সময় মতপ্রকাশের নামে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার চেষ্টা হয়। মি: হুদা বলেন, “ইউরোপে ইহুদি মতবাদের বিপক্ষ কিছু বলা যায় না।”

বাংলাদেশে সংলাপের আরেকজন আলোচক বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগে যেন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কিন্তু কাউকে মেরে ফেলা হবে সেটা কিছুতেই সমর্থন যোগ্য নয়।

অনুষ্ঠানে অন্য আলোচক এবং দর্শকরাও বলেন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেবার বিষয়টি যেমন সমর্থনযোগ্য নয় তেমনি হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধেও জোরালো ব্যবস্থা নিতে হবে। বিবিসি

দেশের বার্তা/শাওন

 

সর্বশেষ খবর